আগস্টের শেষ দিকে সিলেটে বৃষ্টি খুব অস্বাভাবিক ব্যাপার নয়। ঠিক সেই সময়ে সেখানে বাংলাদেশ আতিথ্য দেবে নেদারল্যান্ডসকে। প্রতিদিন চোখ রাঙানি দিচ্ছে বৃষ্টি। তাতে নেদারল্যান্ডস সিরিজের ম্যাচ নিয়েও সৃষ্টি হয়েছে শঙ্কা।
বৃষ্টির কারণে বৃহস্পতিবার সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুশীলন করা হয়নি বাংলাদেশ দলের। যদিও সাইফ হাসান, নুরুল হাসান সোহান ও জাকের আলি অনিক সিনিয়র সহকারী কোচ মোহাম্মদ সালাহউদ্দিনকে সঙ্গে নিয়ে ইনডোরে অনুশীলন করেছেন।
এমন দৃশ্য সিলেটে নিয়মিতই দেখা যাচ্ছে। গত ২০ আগস্ট ক্যাম্প শুরু হয়েছে। এরপর থেকে প্রায়ই টানা বৃষ্টি ও ভেজা আউটফিল্ডের কারণে খেলোয়াড়দের মাঠ ছাড়তে হয়েছে এবং ইনডোরেই প্রস্তুতি পর্ব সারতে হয়েছে।
অতিথি নেদারল্যান্ডস দলের পরিস্থিতিটাও একই। বৃষ্টিতে তাদের প্রস্তুতিও ব্যাহত হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে মাঠে নামে দলটা। তবে ওয়ার্মআপের পরই বৃষ্টি নেমে আসে, ফলে তাদেরও অনুশীলনও অসমাপ্ত রেখেই উঠে যেতে হয়।
বছরের এই সময়ে বৃষ্টির চোখরাঙানি ভালোই থাকে। সে কারণে সাধারণত এ সময় বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের ব্যস্ততা রাখে না। শেষ ৮ বছরে এই সময়ে কেবল ৩টি সিরিজ আয়োজন করা হয়েছে, ২০১৭ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দুই টেস্ট, ও ২০২১ সালে অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে দুইটি টি-টোয়েন্টি সিরিজ। তবে আসছে মাসে এশিয়া কাপকে সামনে রেখে প্রস্তুতির জন্য এই সিরিজ আয়োজন করেছে বিসিবি। টি-টোয়েন্টির জন্য উপযুক্ত পিচ প্রয়োজন হলে ভরসা রাখা হয় সিলেটের ওপরই। সে কারণে এই সময়ে সিলেটে সিরিজ আয়োজন করছে বাংলাদেশ।
তবে এর ফল হিসেবে বৃষ্টি হজম করতে হতে পারে প্রতিদিনই। আগস্ট ৩০, সেপ্টেম্বর ১ ও ৩ তারিখে ৩ ম্যাচ হবে, এই তিন দিনই বৃষ্টির সম্ভাবনা খুব বেশি বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস। যদিও বাংলাদেশ অধিনায়ক লিটন দাস তাতে কান দিচ্ছেন না। তিনি বলেন, ‘প্রতিটি আন্তর্জাতিক ম্যাচই চ্যালেঞ্জ। নেদারল্যান্ডসও ভালো দল। হয়তো তারা এই কন্ডিশনে খেলেনি, তবে ভালো উইকেটে খেলতে অভ্যস্ত। তাই দুই দলের জন্যই চ্যালেঞ্জ থাকবে।’
‘এশিয়া কাপের আগে কিছু খেলোয়াড়কে যাচাই করার সুযোগ যদি আসে, আমরা নেব। তবে এটাও আন্তর্জাতিক ক্রিকেট, জেতার জন্যই মাঠে নামতে হবে।’