

এর আগে গত বছর আয়ারল্যান্ডে এক অনুষ্ঠানে বার্নি স্যান্ডার্স যখন বক্তৃতা দিছিলেন, যখন ফিলিস্তিনপন্থীরা ‘গণহত্যা গণহত্যা’ বলে স্লোগান দিচ্ছিল। বার্নি জানান, ওই ঘটনাটি তাকে অস্বস্তিতে ফেলে দিয়েছিল।
বিবৃতিতে গাজায় হতাহতের সংখ্যা উল্লেখ করেছেন বার্নি। তিনি বলেন, উপত্যকাটির ২২ লাখ বাসিন্দার ৬৫ হাজারই নিহত হয়েছে দুই বছর ধরে চলা ইসরাইলি হামলায়, আহত হয়েছে আরও ১ লাখ ৬৪ হাজার। ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর ডেটাবেজ অনুযায়ী, নিহতদের ৮৩ শতাংশই বেসামরিক নাগরিক। গাজা প্রশ্নে ইসরাইল কতটা নৃশংস, তা প্রমাণে ইসরাইলি নেতাদের বক্তব্যও পেশ করেন তিনি। সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োভ গ্যালান্ত ফিলিস্তিনিদের ‘পশু’ বলে উল্লেখ করেছিলেন। অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোতরিচ শপথ করেছেন, ‘গাজাকে পুরোপুরিভাবে ধ্বংস করে দেওয়া হবে।’
তিনি বলেন, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের হামলার পর ইসরায়েলের আত্মরক্ষার অধিকার ছিল অবশ্যই। কিন্তু ইসরাইল একে অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করে গাজার নিরীহ বেসামরিক নাগরিকদের হত্যা করছে।
তিনি বলেন, ‘ফিলিস্তিনের ওপর চলমান আগ্রাসনে ইসরাইলের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র আর অভিযুক্ত হতে থাকতে পারে না। আমাদের একে গণহত্যা বলে স্বীকার করে, নিজেদের সব শক্তি দিয়ে কূটনৈতিকভাবে এই যুদ্ধ বন্ধের চেষ্টা করা উচিত। পাশাপাশি তাৎক্ষণিক যুদ্ধবিরতি, জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে দ্রুত ও ব্যাপক মানবিক সহায়তা পৌঁছে দেওয়া এবং ফিলিস্তিনিদের জন্য নিজস্ব রাষ্ট্র গঠনের প্রথম ধাপগুলো নিশ্চিত করার লক্ষে কাজ করা উচিত।’
বার্নি স্যান্ডার্সের আগে প্রতিনিধি পরিষদের কয়েকজন সদস্যও গাজায় চলমান অভিযানকে গণহত্যা বলে আখ্যা দিয়েছিলেন। তারা হলেন—ডেমোক্র্যাট আলেকান্দ্রিয়া ওকাসিও-কর্টেজ ও রাশিদা তালিব, রিপাবলিকান মার্জোরি টেইলর গ্রিন এবং ভেরমন্টের কংগ্রেস সচিব বেকা বালিন্ট।