ডিসেম্বরের শুরুতে ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালের সামনে দাঁড়িয়ে ছিলেন ৪৮ বছর বয়সি টিপু সুলতান। তিনি বিএনপির একজন তৃণমূল কর্মী। তার হাতে ছিল একটি প্ল্যাকার্ড। তাতে লেখা ছিল, ‘আমি বেগম খালেদা জিয়াকে আমার কিডনি দিতে চাই’। সেই ভিডিও দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে সারা দেশে। খালেদা জিয়া তখন হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। তিনি ২৩ নভেম্বর ভর্তি হন। সারা দেশ তখন উদ্বিগ্ন ছিল। টিপু সুলতান হাসপাতালের গেটের সামনে ফুটপাতে দিন কাটাতে থাকেন। তিনি বলেছিলেন, সুস্থ হওয়ার খবর না পাওয়া পর্যন্ত তিনি সেখানেই থাকবেন। টিপু সুলতান আল জাজিরাকে বলেন, ‘তিনি আমার মায়ের মতো। তিনি গণতন্ত্রের জন্য সব কিছু ত্যাগ করেছেন’। তিনি আরও বলেন, ‘আমার একটাই দোয়া, আল্লাহ…
Author: saiful islam
রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে আজ সদ্যপ্রয়াত বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়ে গেল। এই জানাজায় ইমামতি করেন জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের খতিব মুফতি আবদুল মালেক। জানাজা শুরুর আগে তার বড় ছেলে ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বক্তব্য দেন। গতকাল থেকেই দেখা মিলছিল তার বেদনাতুর অভিব্যক্তির। আজ জানাজায় সে অভিব্যক্তি আরও ভারিই হয়েছে কেবল। তারেক রহমান তার বক্তব্যে রাজনৈতিক কোনো প্রসঙ্গই আনেননি। সাধারণ সন্তান যেমন করে নিজের বাবা-মায়ের জানাজায় কথা বলেন, তিনিও কথা বললেন ঠিক তেমন করেই। তিনি বলেন, ‘আমি মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার বড় সন্তান। আজকে এখানে উপস্থিত সকল ভাই ও বোনেরা, মরহুমা বেগম খালেদা জিয়া…
বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জানাজা সম্পন্ন হয়েছে। জানাজায় লক্ষাধিক মানুষ অংশ নেন। বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) বিকাল ৩টায় জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় তার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা পড়ান জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের খতিব মুফতি আবদুল মালেক। জানাজা শেষে খালেদা জিয়ার কফিন কাঁধে তুলে নিতে দেখা যায় জনপ্রিয় ইসলামি বক্তা ড. মিজানুর রহমান আজহারীকে। খালেদা জিয়ার মরদেহ এখন সংসদ ভবন সংলগ্ন জিয়া উদ্যানে নেওয়া হচ্ছে। উল্লেখ্য, জানাজায় অংশ নেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস, সরকারের বিভিন্ন উপদেষ্টা, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ বিভিন্ন দলের রাজনীতিবিদ। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন জনপ্রিয় ইসলামি বক্তা ড. মিজানুর রহমান আজহারী এবং আস-সুন্নাহ…
সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার জানাজাকে কেন্দ্র করে শোকাবহ পরিবেশ তৈরি হয়েছে রাজধানীর বিজয় সরণি এলাকায়। জায়ান্ট স্ক্রিনে ভেসে উঠছে তার বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনের স্মৃতিচারণ। তিনবারের সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীর সংগ্রামী জীবন, গণতন্ত্র রক্ষার আন্দোলন এবং দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে তার ভূমিকার নানা মুহূর্ত বড় পর্দায় তুলে ধরে শেষ শ্রদ্ধা জানানো হচ্ছে। বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) দুপুরের আগ থেকেই বিজয় সরণি সংলগ্ন এলাকা থেকে জানাজাস্থল ও আশপাশের এলাকায় স্থাপিত একাধিক জায়ান্ট স্ক্রিনে বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক জীবনের গুরুত্বপূর্ণ ভিডিওচিত্র প্রদর্শন করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তার শপথ গ্রহণ, সংসদে দেওয়া ভাষণ, দলীয় কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ, স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে নেতৃত্ব এবং দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের…
বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জানাজায় অংশ নিয়েছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) দুপুরে রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে এসে পৌঁছান তিনি। উপদেষ্টা পরিষদের কয়েকজন সদস্যও সেখানে উপস্থিত রয়েছেন। এ ছাড়া জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা.শফিকুর রহমান, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হকসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতারা অংশ নিয়েছেন। সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানসহ বিভিন্ন বাহিনীর প্রধানরাও উপস্থিত রয়েছেন খালেদা জিয়ার জানাজা স্থলে। এদিন বেলা ১১টা ৪৮ মিনিটের দিকে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় বেগম খালেদা জিয়ার মরদেহ বহনকারী ফ্রিজার ভ্যানটি পৌঁছে। এর আগে বেলা ১১টা ৫ মিনিটের দিকে ছেলে তারেক রহমানের গুলশান…
রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ ও এর আশপাশ। যতদূর চোখ যায়, শুধু মানুষ আর মানুষ। লাখ লাখ মানুষ এসেছেন আপসহীন নেত্রীকে শেষ বিদায় দিতে।যেখান থেকে আর কখনও ফেরা হবে না। অনন্ত যাত্রায় খালেদা জিয়ার সঙ্গী লাখ লাখ মানুষের ভালোবাসা, শ্রদ্ধা ও চোখের পানি। সাবেক প্রধানমন্ত্রীর জানাজাস্থলে উপস্থিত দলীয় নেতাকর্মী থেকে শুরু করে বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ ঢুকরে কাঁদছেন। অনেকেই আবেগ সংবরণ করতে পারছেন না। হাউ মাউ করে কেঁদে উঠছেন। কে কাকে স্বান্তনা দেবে! সারা জীবন দেশের জন্য, গণতন্ত্রের জন্য লড়াই করে জীবনের শেষ মুহূর্তে জাতীয় ঐক্যের প্রতীক হয়ে ওঠা খালেদা জিয়া যে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপাসনের পরিচয় ছাপিয়ে গেছেন, তা স্পষ্ট…
প্রিয় দেশনেত্রীকে শেষ বিদায় জানাতে রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ ও আশপাপাশের এলাকা জনসমুদ্রে রূপ নিয়েছে। কিছুক্ষণ পরই জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। জানাজাস্থল ও আশপাশের এলাকা কানায় কানায় পরিপূর্ণ হয়ে গেছে।অনন্ত যাত্রায় লাখ লাখ মানুষের ভালোবাসা পেলেন খালেদা জিয়া।জানাজাস্থলে বহু মানুষকে কান্নায় ভেঙে পড়তে দেখা গেছে। সাবেক তিনবারের প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জানাজার সময় বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) দুপুর ২টা। ইতোমধ্যে তার মরদেহ নেওয়া হয়েছে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ের জানাজাস্থলে। সেখানে ভোর থেকেই জড়ো হতে শুরু করে সর্বস্তরের মানুষ। জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজার পরিবর্তে মানিক মিয়া এভিনিউয়ের পশ্চিম প্রান্তে কফিন রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সংসদ ভবনের ভেতরের মাঠ, বাইরের অংশ এবং পুরো…
বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জানাজাস্থল মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ নেতা-কর্মী সাধারণ মানুষের আগমনে কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে গেছে। বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) বাদ জোহর দুপুর ২টার দিকে এখানেই দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রীর জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। জানাজার নামাজের ইমামতি করবেন বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতিব মাওলানা আবদুল মালেক। সরেজমিনে দেখা গেছে, খালেদা জিয়ার জানাজায় অংশ নিতে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ ও সংসদ ভবন এলাকায় রাজধানীর বিভিন্ন সড়ক দিয়ে মানুষের স্রোত আসছে। জিয়াউর রহমানের সমাধি সৌধ এলাকায় বিপুল সংখ্যক নেতা-কর্মী ও সাধারণ মানুষের উপস্থিতি দেখা গেছে। বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) পুরো সংসদ ভবন এলাকার মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ থেকে শুরু করে আশপাশের পুরো…
সাবেক প্রধানমন্ত্রী এবং বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জানাজার সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) বাদ জোহর আনুমানিক বেলা ২টার দিকে রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে এই জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজার পরিবর্তে মানিক মিয়া এভিনিউয়ের পশ্চিম প্রান্তে কফিন রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সংসদ ভবনের ভেতরের মাঠ, বাইরের অংশ এবং পুরো মানিক মিয়া অ্যাভিনিউজুড়ে এই জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। দেশের এই জাতীয় নেতাকে সর্বস্তরের জনগণ যাতে নির্বিঘ্নে শেষ শ্রদ্ধা ও জানাজায় অংশ নিতে পারেন, সেজন্য নিরাপত্তা বাহিনীসহ সংশ্লিষ্ট রাষ্ট্রীয় সকল দপ্তর সমন্বিতভাবে কাজ করছে। মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ের চারপাশের সড়কগুলোতেও জনসাধারণের অবস্থানের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। জানাজার আনুষ্ঠানিকতা শেষে বিকাল…
সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মরদেহ কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় পৌঁছেছে। তাকে বহন করা হয়েছে লাল-সবুজ রঙের জাতীয় পতাকায় মোড়ানো একটি ফ্রিজার ভ্যানে। সেনাবাহিনী হিউম্যান চেইন তৈরি করে রাষ্ট্রীয় প্রোটকলে তার মরদেহ আনা হয়। বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) বেলা ১১টা ৪৮ মিনিটের দিকে খালেদা জিয়ার মরদেহ বহনকারী ফ্রিজার ভ্যানটি জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় পৌঁছায়। এর আগে বেলা ১১টা ৫ মিনিটের দিকে ছেলে তারেক রহমানের গুলশান অ্যাভিনিউয়ের ১৯৬ নম্বর বাসা থেকে খালেদা জিয়ার মরদেহ বহনকারী ফ্রিজার ভ্যানটি যাত্রা শুরু করে। তারও আগে সকাল ৮টা ৫৪ মিনিটে বেগম খালেদা জিয়ার মরদেহ রাজধানীর এভার কেয়ার…

