
নেইমার আবারও নায়ক হয়ে উঠলেন। জুভেনতুদের মাঠে হ্যাটট্রিক করে দলকে এনে দিয়েছেন ৩-০ গোলের দারুণ এক জয়। এই জয়ে ‘মুক্তির’ আরও কাছে চলে গেল সান্তোস। ব্রাজিলিয়ান ফুটবলের দ্বিতীয় বিভাগে নেমে যাওয়ার শঙ্কা থেকে কিছুটা মুক্তি পেয়েছে দলটি।
এই জয়ের ফলে সান্তোস লিগ টেবিলে ৪৪ পয়েন্ট নিয়ে উঠে গেছে ১৪তম স্থানে। অবনমন অঞ্চল থেকে তারা অনেকটাই ওপরে উঠে এসেছে দলটি। শেষ ম্যাচে তাদের প্রতিপক্ষ ক্রুজেইরো, যারা আছে পয়েন্ট তালিকার শীর্ষ তিনে। সেই ম্যাচে ফল যাই হোক, সান্তোসের প্রথম বিভাগে থাকার ভালো সুযোগ তৈরি হয়েছে।
নেইমারের হ্যাটট্রিকের মহিমা বেড়ে যায়, তার একটা বিষয় সামনে নিয়ে এলে। তিনি এই ম্যাচ খেলেছেন মেনিসকাসের চোট নিয়ে। তবে দলের সবচেয়ে কঠিন মুহূর্তে নিজের চোটকে একপাশে রেখে দলের প্রয়োজনকেই বড় করে দেখলেন তিনি।
ম্যাচের প্রথমার্ধে অবশ্য গোল পাননি নেইমার। সবকটা গোল করেছেন বিরতির পর। ম্যাচের ৫৬ মিনিটে প্রথম গোল করার ১৭ মিনিটের মধ্যে আরও ২ গোল করে দলের জয় নিশ্চিত করেন তিনি।
সাম্প্রতিক সময়ে দুর্দান্ত ফর্মে আছেন এই ব্রাজিলিয়ান তারকা। শেষ চার ম্যাচে তিনি করেছেন পাঁচ গোল। আছে একটি অ্যাসিস্টও। তাঁর পারফরম্যান্সে সান্তোস তিনটি ম্যাচ জিতেছে এবং একটি ড্র করেছে। দলের টিকে থাকার লড়াইয়ে নেইমারই এখন প্রধান ভরসা।
তবে ব্রাজিল দলে তিনি জায়গা করে নেবেন কি না, তা এখনও নিশ্চিত নয়। যদিও কোচ কার্লো আনচেলত্তি জানিয়েছেন, নেইমারকে নিয়ে ভাবনা আছে তার। যদি শতভাগ ঢেলে দেওয়ার মতো অবস্থানে থাকেন, তাহলেই কেবল দলে ডাকবেন। ২০২৬ বিশ্বকাপে তিনি খেলতে পারবেন কি না, তা এখন নির্ভর করছে এই বিষয়টির ওপরই।


